শতভাগ উৎসব ভাতাপ্রদান,এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণে আসন্ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দ প্রসঙ্গে

0
97

আবাদুর রহমান : প্রতি বছরের ন্যায় জুন ২০২১ এর বাজেট অধিবেশন সমাগত। আসন্ন বাজেটটি প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। প্রতি বছরই শিক্ষাখাতের বাজেটকে আকারে বড় দেখালেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এখনো বাড়িভাড়া ১০০০ টাকা, চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা, এমপিওভুক্ত শিক্ষকের উৎসব বোনাস ২৫% কর্মচারীর উৎসব বোনাস ৫০% শিক্ষক-কর্মচারীগণ জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্ত হলেও স্থায়ী পেনশন ব্যবস্থা এখনো চালু হয়নি। এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয় সরকারি কোষাগারে জমা নিলে এবং শিক্ষার্থীদের বেতন কাঠামো একটু পরিবর্তন করলেই সরকারের চলমান মেয়াদেই এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ সম্ভব। আইএলও এবং ইউনেস্কোর পরামর্শ অনুযায়ী স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও বাংলাদেশে শিক্ষাখাতের বাজেট কাঙ্খিত মানে উন্নীত হয়নি। ইউনেস্কোর পরামর্শ হলো বাজেটে শিক্ষাখাতে জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দ রাখা কিন্তু এ পর্যন্ত জিডিপির ২ শতাংশের বেশি অর্থ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ হয়নি, যা দক্ষিণ এশিয়ার যে কোন দেশের তুলনায় অনেক কম। শিক্ষাখাতে বাজেটের মোট ব্যয়ের ২০% অর্থ বরাদ্দের কথা থাকলেও এ পর্যন্ত ১১.৬৯% বরাদ্দ করা হয়েছে যদি শিক্ষাখাতে জিডিপির ৪% অর্থ বরাদ্দ করা হতো এবং বাজেটের মোট ব্যয়ের ন্যূনতম ১৫% অর্থ বরাদ্দ করা হতো তাহলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনখাতে একটু বেশী অর্থ খরচ করা যেতো । জিডিপির ০৪% এবং বাজেট এর মোট ব্যয়ের ১৫% শিক্ষাখাতে বাজেটের বরাদ্দ করলে আগামী ০৩ টি অর্থ বছরেই এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ করা সম্ভব হতো। লক্ষণীয় বিষয় হলো, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের বাজেটের সাথে সংযুক্ত করা হয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ভবন আসবাব পত্র তৈরি করার বরাদ্দ। তাই এমপিওভুক্ত শিক্ষা বরাবরই বাজেট বরাদ্দ ও বেতন-ভাতা প্রদান খাতে পিছিয়ে থাকে। এখনো দেশের ৯৭% শিক্ষার দায়িত্ব পালন করছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীগণ। যদি আর্থিক দিক থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীগণ বরাবরই পিছিয়ে থাকে তাহলে এদেশে মানসম্মত শিক্ষা বা বিশ্বমানের শিক্ষা বাস্তবায়ন অসম্ভব। বর্তমানে মধ্যম আয়ের বাংলাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষার এ করুণ পরিস্থিতি উন্নত পর্যায়ে না নিলে ২০৪১ সালে উন্নত বিশ্বের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের স্বীকৃতি কোন অবস্থাতেই অর্জন সভব নয়। এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ হলে প্রকৃত পক্ষে লাভবান হবে এদেশের প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষ শিক্ষার্থী, ১৫-১৬ কোটি জনগণ এবং একই মানের শিক্ষা এদেশে নিশ্চিত হবে ও মেধাবীরা শিক্ষকতায় আকৃষ্ট হবে। ফলে শিক্ষায় বৈষম্যের অবসান হবে, গরীব-দুঃখী সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ তাদের সন্তানদেরকে একই মানের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে। ফলশ্রুতিতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মুখে হাসি ফুটবে এবং গড়ে উঠবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ । উল্লেখ্য ইতোমধ্যে জাতিসংঘ শিক্ষাখাতে বাজেট বৃদ্ধির জন্য সরকারকে পরামর্শ প্রদান করেছেন। আগামী বাজেটে এ বিষয়টির কতটুকু প্রতিফলন ঘটে তা এখন দেখার বিষয়। কোভিড-১৯ এর কারণে শিক্ষা ব্যবস্থা আজ বিপর্যস্থ। বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবন যাপন এতই কষ্ট সাধ্য যা বর্ণনাতীত। বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীগণ ২০০৪ সাল থেকে তথা বর্তমান সময় পর্যন্ত ১৭ বছর ধরে উৎসব ভাতা পেয়ে আসছে যথাক্রমে ২৫% শিক্ষক এবং ৫০% কর্মচারী। এতে করে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, (ক) ১২৫০০ টাকা স্কেলের একজন স্নাতকোত্তর শিক্ষক বোনাস পাচ্ছেন ৩১২৫ টাকা। (খ) ১৬০০০ টাকা স্কেলের একজন স্নাতকোত্তর শিক্ষক বোনাস পাচ্ছেন ৪৬৩২ টাকা। (গ) তৃতীয় শ্রেণির এইচএসসি পাশ একজন কর্মচারী বোনাস পাচ্ছেন ৫৩৯০ টাকা। ((ঘ) চতুর্থ শ্রেণির ৮ম শ্রেণি পাশ একজন কর্মচারী বোনাস পাচ্ছেন ৪৭৮৫ টাকা। (ঙ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণি পাশ একজন কর্মচারী বোনাস পাচ্ছেন ৮২৫০ টাকা। এমপিওভুক্ত একজন এম এ পাশ শিক্ষক একজন কর্মচারীর চেয়ে বোনাস কম পাওয়ার বিষয়টি খুবই লজ্জাকর এবং অমানবিক। মনে হচ্ছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা অবিভাবকহীন এবং যারা এমপিওভুক্ত শিক্ষা পরিচালনা করছেন তাদের কোন দায় ও জবাবদিহীতা নেই। আজ মাধ্যমিক ডিজি আলাদা থাকলে এবং সেখানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রতিনিধি থাকলে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের এমন পরিণতি হতো না। সরকারের শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও সচিব এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বিগত দিনে বহুবার এমপিওভুক্ত শিক্ষক নেতারা স্মারকলিপি ও আবেদন জমা প্রদান করলেও তার কোনো প্রতিকার আদৌহয়নি। তবে শিক্ষকদের বিশ্বাস ছিল, মুজিব স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বোনাস শতভাগ হবে এবং দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ হবে। কিন্তু জাতীয়করণ আদৌ হলোনা। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীগণ বর্তমানে প্রত্যাশা করছেন তাদের যেন বদলির ব্যবস্থা করা হয়, শিক্ষা কল্যাণ ও শ্রান্তি বিনোদন ভাতার ব্যবস্থা করা হয় এবং প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল ৩৫,৫০০/- টাকায় উন্নীত করা হয়, সহকারী প্রধান শিক্ষসের বেতন স্কেল ২৯,০০০/ উন্নীত করা হয়, এন্ট্রি লেভেলের একজন সহকারি শিক্ষকের প্রারম্ভিক বেতন স্কেল ন্যূনতম ১৬,০০০/- টাকা করা হয় তাহলেই এমপিওভুক্ত শিক্ষা ও সরকারি শিক্ষার মধ্যে বিরাজমান বৈষম্য কমে আসবে। উরোক্ত সমস্যাগুলোর ন্যূনতম সমাধান এ পর্যন্ত না হওয়ায় আজ এমপিওভুক্ত সাধারণ শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে গণ-অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে, যার একমাত্র সমাধান জাতীয়করণের মাধ্যমেই হতে পারে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান নব্য স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে সাইত্রিশ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে শিক্ষার গুরুত্বকে সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছিলেন, যেখানে বার্ষিক বাজেট ছিল মাত্র ৭৬৮ কোটি টাকা। কিন্তু আজ বার্ষিক ৫ লক্ষাধিক কোটি টাকার বেশি বাজেট হলেও কর্মচারীদের বোনাস সরকারের পক্ষ থেকে এখন ও শতভাগ প্রদানের ব্যবস্থা হলো না। জনবল কাঠামো ২০২১ এ ১১.৭ এর (ঙ) এর উপ ধারায় জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর আলোকে বোনাস শতভাগ প্রদানের নির্দেশনা থাকা বিষয়টি এখনও সরকার কার্যকর করছেন না। ইতোমধ্যে বে-সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীগণ সোশাল মিডিয়া, প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় স্বারক লিপি ও আবেদনের মাধ্যমে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছেনে যে, তাঁরা ঈদ-উল-ফিতরের পূর্বেই শতভাগ বোনাস চায়। বিষয়টি সরকার নিশ্চিত না করায় বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীগণ ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতীকি আন্দোলনের অংশ হিসেবে জাতীয় প্রেস ক্লাবরে সামনে পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের নামাজ আদায় পূর্বক মানব বন্ধনের মাধ্যমে শত ভাগ বোনাস প্রাপ্তির দাবী টি সরকারের কাছে পৌছানোর জন্য সম্মানিত সাংবাদিক বন্ধুদের শরণাপন্ন হয়ে ছিলো। তাই এক্ষণে, প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বন্ধুদরে লেখনি শক্তির মাধ্যমে শিক্ষকরা বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীগণ যেন আগামী ঈদ-উল আযহার পূর্বে শত ভাগ বোনাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পেতে পারে তার ব্যবস্থা হয় এবং এ সরকারের ক্ষমতাকালিন প্রতিটি বাজেটে একটু বেশি বেশি পরিমাণ অর্থ শিক্ষায় বরাদ্দ পূর্বক এ সরকারে আমলেই যেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ করা হয়। কোভিড ১৯ পরবর্তী পরিস্থিতি মোকা বেলায় এবং টেকসই শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষে স্বীকৃতি প্রাপ্ত ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোকে এমপিও এর আওতায় আনা এখন সময়ের দাবী। অনার্স-মাষ্টার্স কলেজের শিক্ষকদেরকে এমপিও করা অতীব প্রয়োজন। করোনায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা অতীব জরুরী। জাতীয়করণে অর্থ সংস্থানের ক্ষেত্রে শতভাগ উৎসবভাতা বাস্তবায়ন কমিটির নেতাদের প্রস্তাবনা হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয় যেমন রিজার্ভ ফান্ড, সাধারণ তহবিল, প্রতিষ্ঠানের পুকুর, জমি ও দোকান ভাড়ার টাকা সরকারি কোষাগারে যদি জমা নেয়া হয়। বর্তমানে সরকারি স্কুলে ৩য়-৫ম শ্রেণির বেতন 0৮ টাকার স্থলে ২০ টাকা করা হয়, ৬ষ্ঠ-৮ম বেতন ১২ টাকার স্থলে ৩০ টাকা করা হয়, ৯ম-১০ম শ্রেণির বেতন ১৮ টাকার স্থলে ৪০ টাকা করা হয় এবং কলেজ শিক্ষার্থীদের বেতন ২৫ টাকার স্থলে ৫০টাকা করা হয় তবেই এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ করা সম্ভব। তারপরও সরকারি হিসাব ও নিরীক্ষা  কমিটি যদি মনে করেন আরো অর্থের প্রয়োজন, তাহলে উৎসবভাতা বাস্তবায়ন কমিটির নেতাদের প্রস্তাব হলো-জানুয়ারি মাসে শিক্ষার্থী ভর্তির সেশন ফি  খাতে শিক্ষার্থী প্রতি  ৫০০টাকা নেয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠানের আভ্যন্তরীণ পরীক্ষা এবং পাবলিক পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থী পরীক্ষার ফি ৫০ টাকা বা তার চেয়ে একটু বেশি অর্থ নেয়া হয়। উৎসবভাতা বাস্তবায়ন কমিটির নেতাদের উপরোক্ত প্রস্তাবনা অনুযায়ী ৩৯০৯২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠা ১,৬২,৬৩,৭২৪ জন শিক্ষার্থীর নিকট থেকে বছরে ২৫৭৪,০২, ৯৯,৪০০ (দুইহাজার পাঁচশত চুয়াত্তর কোটি দুই লক্ষ নিরানব্বই হাজার  চারশত) টাকা আয় হতে পারে বলে শিক্ষকরা হিসাব বের করেছে এবং ইতোমধ্যে হিসাব বিবরণী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং অর্থ মন্ত্রীকে ও প্রদান করেছেন। উক্ত টাকা সরকার যদি শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন খাতে খরচ করেন তাহলে এখাতে সরকারকে কোন ভর্তুকি দিতে হবে না। বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য, এমপিও ভুক্ত শিক্ষা জাতীয় করণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে এ সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই বিষয়টি নিষ্পত্তি হতে পারে। উৎসবভাতা বাস্তবায়ন কমিটির নেতাদের মনে প্রাণে দাবি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেন তাঁর এ ক্ষমতামলেই এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয় করণ করেন, তবে এদেশেরে শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়ন ও অগ্রগতি এগিয়ে যাবে এবং মেধাবীরা শিক্ষকতায় আকৃষ্ট হবে। ফলশ্রুতিতে দ্রুত এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ, লাখো কোটি শিক্ষার্থী একই মানের সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়া লেখা করবে, অভিভাবকগণের অর্থ সাশ্রয় হবে এবং নিশ্চিত হবে আলোকিত শিক্ষা। শিক্ষকদের প্রতিটি আন্দোলনেই শিক্ষকরা সাংবাদিকদের সহযোগিতা পেয়েছে। ২০১৮ সালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ৫% ও বৈশাখী ভাতার আন্দোলনের দাবিটি সাংবাদিকরাই প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বেশি বেশি প্রচার করার কারণে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শিক্ষকদের দাবিটি পূরণ করে ছিলেন। এখনও শিক্ষকরা প্রত্যাশা করছে শিক্ষকদের এমপিও ভুক্ত শিক্ষা জাতীয় করণের বিষয়টি শত ভাগ বোনাসের দাবির বিষয়টি আগামী ঈদ-উল-আযহার পূর্বে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী যেন পূরণ করেন, তার লক্ষ্যেই সাংবাদিকরা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বেশি বেশি প্রচার পূর্বক শিক্ষকদের কে বিশেষ ভাবে সহযোগিতা করবেন।

উপাধক্ষ মো: আবাদুর রহমান: রোকন উদ্দিন মোল্লা গার্লস ডিগ্রী কলেজ।

মোবাইল-০১৭১১-০৭৪৮০২ E-mail: marahman_biu@yahoo.com

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here