আড়াইহাজারে কাঁঠালের বাম্পার ফলন

0
232

মাসুম বিল্লাহ: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সাম্প্রতিক সময়ে কাঁঠাল বাগান করায় বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছে কৃষকেরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কাঁঠালের বাম্পার ফলন দেখে তাদের এ উৎসাহ হচ্ছে বলে জানান অনেকে।
জানা গেছে, উপজেলার পাঁচ গাও, চরপাড়া, মানেহর, কামরানীরচর, চামুরকান্দী, কাইমপুর Ñ এ সমস্ত এলাকায় কাঁঠাল বাগান এবং রাস্তার ধারে, পুকুর পাড়ে বেশ কছিু সংখ্যক কাঁঠাল বাগান লক্ষ করা গেছে। এ সমস্ত বাগান গুলোতে শত শত কাঁঠাল গাছে কাঁঠাল ও ধরেছে অনেক। কাঁঠাল পাকতে আরো কিছুটা সময় লাগলেও বাজারে কিন্তু এখনি বেশ কাঁঠাল উঠতে শুরু করেছে।
এ সমস্ত কাঁঠাল নরসিংদীর শিবপুর, বেলাব, গাজীপুরের শ্রীপুর, কাসিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বাজারজাত করা হচ্ছে। কিন্তু আড়াইহাজারের বাগান মালিকেরা কাঁঠালের ফলনের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যে ভাবে কাঁঠাল চাষের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন তাতে করে সকল কৃষকেরা কাঁঠাল বাগান করা শুরু করলে এলাকার কাঁঠাল দিয়েই এলাকাবাসির কাঁঠালের চাহিদা পূরণ হতে পারে।
বিভিন্ন স্থানের কাঁঠাল বাগান মালিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বৃষ্টির পানি গড়িয়ে পড়ে এমন ঢালু ও শক্ত মাটিতে কাঁঠালের চাষ ও ফলন ভাল হয়। বিষয়টি স্বীকার করেছেন আড়াইহাজার উপঁেঁলা কৃষি অনেক কর্মকর্তাও। উপজেলার প্রতিটি গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে প্রচুর কাঠাঁল গাছ রয়েছে। কাঠাঁল ও ধরেছে প্রচুর।
কৃষি অধি দপ্তরের নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষি অফিসের অতিরিক্ত উপÑপরিচালক কৃষিবিদ আঃ কাদির জানান, আড়াইহাজার তথা নারায়ণগঞ্জের মানুষ খুব একটা আগ্রহের সাথে কাঁঠাল চাষ করতোনা। কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল এবং এর পুষ্টিগুণ অনেক বেশী। তাই কৃষি অধিদপ্তরের তৎপরতায় এখন অনেকে বাড়ীর বা রাস্তার ঢালু জায়গায়, পুকুর পাড়ে, পতিত জমিতে কাঁঠালের চাষ করছেন। মোঁচা অবস্থায় বিভিন্ন কারণে কাঁঠাল ঝড়ে পড়ে যায়। এর অবশ্য প্রতিকারের ব্যবস্থাও আছে বলে জানান তিনি। মোঁচা ঝড়ে পড়া রোধ করতে পারলে এলাকার কাঁঠাল বাগানের মালিকেরা কাঁঠালের আবাদ করে বেশ লাভবান হতে পারেন বলে জানান অনেকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here