নারায়নগঞ্জ কৃষি বিভাগের বোরো উৎপাদনে সাফল্য

0
277

মাসুম বিল্লাহ: নারায়নগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলাতে পুরোদমে শুরু হয়েছে বোরোধান কর্তন।চারদিকে যেখানেই চোখ যায় সোনালী বর্নের পাকাধানে মন জুড়িয়ে যায়।রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়ায় পাকাধান কাটতে মহাব্যস্ত গ্রামাঞ্চলের কৃষক।

কৃষকের আঙিনা ভরে গেছে পাকাধানে এবং কৃষাণীরা ব্যস্ত ধান মাড়াই,ঝাড়াই,পরিস্কার,শুকনো ও গোলাজাত করতে।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর,নারায়নগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আবদুল কাদির জানান ,এ অর্থবছরে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর নারায়নগঞ্জ জেলায় ২৫ হাজার ৪ শ ৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এবং ২৩ হাজার ৮ শ ২৮ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ অর্জিত হয়েছিল।

বোরো আবাদের শতকরা প্রায় ৯৮ ভাগই উচ্চ ফলনশীল জাত ব্রিধান২৮,ব্রিধান২৯,ব্রিধান ৫০ ব্রিধান৬৩, ব্রিধান৬৭, ব্রিধান৫৮, ব্রিধান৭৪,ব্রিধান৮১,ব্রিধান৮৪,ব্রিধান ৮৬,ব্রিধান ৮৮, ব্রিধান৮৯,বিনাধান ১০ এবং বিনাধান ১৪ দ্বারা করা হয়েছিল।বোরোধান চাষে আধুনিক কলাকৌশল ও

প্রযুক্তি:আধুনিক উফশী জাত,আদর্শ বীজতলা,সঠিক বয়সের চারা,সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ,সারিতে চারা রোপন,লোগো পদ্ধতি,পার্চিং, আলোক ফাঁদ ইত্যাদি ব্যবহারের ফলে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কাংখিত ফলন পেতে সহায়তা করেছে।

ইতিমধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ জমিতে বোরো কর্তন সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই কর্তন প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে আসবে।নমুনা শস্য কর্তনে এখন পর্যন্ত যে ফলন পাওয়া যাচ্ছে,তাতে প্রায় ১ লক্ষ মে.টন চালে বোরো উৎপাদন পাওয়া যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মারাত্নক ক্ষতিকারক রোগবালাই ও পোকামাকড়ের উপদ্রব না থাকায় এ বছর বোরোর বাম্পার ফলন পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বোরো কর্তনে কৃষি শ্রমিকেের সংকট নেই এবং ধান কর্তনে সরকারি ভর্তুকির আওতায় প্রাপ্ত কম্বাইন হারভেস্টের এবং রিপার ব্যবহার হচ্ছে।আড়াইহাজার উপজেলার ফতেপুর গ্রামে বোরো ধানের নমুনা শস্য কর্তনে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর,নারায়নগঞ্জের উপপরিচালক মো: ইসহাকসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here