জরুরি বিভাগ সচল রাখতে এদের ভূমিকা প্রশংসনীয়

0
366

মাসুম বিল্লাহ: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার সব শ্রেণির মানুষের আস্থার জায়গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এখানে রয়েছে ডাঃ সায়মা আফরোজ ইভার মতো সুদক্ষ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। তার নেতৃত্বে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি যেমন উন্নত হয়েছে তেমনি এখানে বেড়েছে সেবার মান। ইতোমধ্যে সর্বমহলে তা প্রশংসিত হয়েছে। করোনা মহামারিতে এরা জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
তাছাড়াও এখানে রয়েছে বিশেষজ্ঞ গাইনী চিকিৎসক ডাঃ শান্তা ত্রিবেদী, ডাঃ চেমন আরা, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আশরাফুল আমীন ও ডাঃ উত্তম কুমার দাস গুপ্তের মতো চিকিৎসক। এরা সকলের নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে স্থানীয়দের হৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছেন।
এদের সাথে জরুরী বিভাগকে ২৪ ঘন্টা সচল রাখতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন ৭ জন উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার এবং একজন ফার্মাসিস্ট। তাদের ভূমিকায় এখানের স্বাস্থ্যসেবার মান আরো সমাদৃত হয়েছে, তারাও হয়েছেন সর্বমহলে প্রশংসিত। এরা দায়িত্ব পালন করার সময় এক মিনিটের জন্য হাসপাতাল রেখে বাহিরে যাননা। রোগীদের প্রতি নিবিড় খেয়াল রাখেন তারা। এরা হলেন- কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার শরিফ আহমেদ, আনন্দ কুমার দত্ত, শেখ জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল্লাহ আল কামাল, মো: মোশাররফ হোসেন, রুপালী দাস, মনোনয়ারা আক্তার ও ফার্মাসিস্ট সুমন দাস। এরা সব সময় আন্তরিকতার সাথে জরুরী বিভাগে সেবা দিয়ে আসছেন। এই করোনা মহামারিতে জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে প্রতিদিন শত শত রোগী দেখছেন তারা। যার মধ্যে অনেকেই আসছেন করোনা সাসপেক্ট।
শরিফ আহমেদ জানান, আমরা আমাদের দায়িত্বটা সবচেয়ে বড় করে দেখি। যখন জরুরী বিভাগে রোগী দেখি নানা সমস্যায় পড়তে হয়। তারপরও পিছপা হইনা।
কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার শেখ জাহাঙ্গীর আলম জানান, জরুরী বিভাগের ডিউটি করাটা অনেক কস্টের। হাসপাতাল ছেড়ে বের হওয়া যায় না। এই করোনা ভাইরাসের মধ্যেও প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে আসা রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মনোয়ারা আক্তার জানান, আমি জরুরী বিভাগের পাশাপাশি আউটডোরে বসে মা ও শিশু রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকি। নানা শ্রেনীর রোগী আসে। থাকতে হচ্ছে অনেক ঝুঁকির মধ্যে। তারপরও দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। সকলের দোয়া চাই।
আব্দুল্লাহ আল কামাল বলেন,আছি ঝুঁকির মধ্যে । তারপরও থেমে নেই।
আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সায়মা আফরোজ ইভা বলেন, আমার হাসপাতালের প্রতিটি স্টাফ এই করোনা মহামারিতে জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে কাজ করছেন। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। সব সময় আমি তাদের পাশে থাকব ইনশাআল্লাহ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here